বিস্মিল্লাহির রাহ্ মানির রাহিম

গঠনতন্ত্র

ধারা-১ :                 সংঘের নাম :

                        সোরিয়াসিস এওয়ারনেস ক্লাব

 

ধারা-২ :                 সংঘের ঠিকানা :

                        পূর্ব কাজিপাড়, বাড়ি নং - ৮৪০/১, রোকেয়া স্মরনী, কাফরুল, মিরপুর ঢাকা।

 

ধারা-৩ :                সংঘের কার্য পরিধি :

ঢাকা জেলা ব্যাপী। পরবর্তীতে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা যাবে।

 

 

ধারা-৪ :                 সংঘের বিস্তারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :

            (ক) ক্লাবটি তৈরি করার উদ্দেশ্যটি হচ্ছে, সোরিয়াসিস এবং সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস রোগীদের স্বাস্থ্য

                 এবং সামাজিক জীবনমান উন্নত করতে অবদান রাখবে ।

 

            (খ) আর্ন্তজাতিক ফোরাম যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, চর্মরোগের বিশ্ব কংগ্রেস এবং অন্যান্য সংস্থার সাথে

                 যোগাযোগ রক্ষা করে নতুন নতুন তথ্য বিনিময় করবে ।

 

                        (গ) দেশব্যাপী / বিশ্বব্যাপী সোরিয়াসিস রোগী এবং তাদের স্বজনদের রোগ সম্পর্কিত সমস্যাগুলি

                             সম্পর্কে পরামর্শ এবং আলোচনা প্রদান ।   

 

ধারা-৫ :                সদস্য/সদস্যদের শ্রেণী বিভাগ :

                        ইহা নিম্নলিখিত ধরনের হবে :

                        (ক)  প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

                        (খ)  সাধারণ সদস্য।

                        (গ)  আজীবন সদস্য।

                        (ঘ)  উপদেষ্টা সদস্য।

 

 

ধারা-৬ :                সদস্য পদের ধরণ :

                        (ক)  প্রতিষ্ঠাতা সদস্য :

                                    যে সকল সদস্য/সদস্যাগণ এই প্রতিষ্ঠান/সংঘ স্থাপনের স্বাক্ষর দাতা হবেন তাঁরা সকলেই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য/সদস্যা হিসাবে গণ্য হইবে।

            (খ)  সাধারণ সদস্য :

                                    সাধারণ সদস্য/সদস্যাদের যোগ্যতা ৭ ধারা মোতাবেক করা হবে।

                        (গ)  আজীবন সদস্য :

                                    যে কোন দেশী-বিদেশী নাগরিক এককালীন ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা মাত্র বা সমমূল্যের সম্পদ দান করে আজীবন সদস্য/সদস্যা পদ লাভ করতে পারবেন।

                        (ঘ)  উপদেষ্টা সদস্য :

                                    এলাকার কোন সম্মানিত ব্যক্তি এককালীন ১৫,০০০/- টাকা ও তার উর্দ্ধে প্রদান করে তিনি উপদেষ্টা সদস্য হতে পারবেন। তবে এলাকার বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্য হতে ৫ (পাঁচ) জন উপদেষ্টা সদস্য হতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই সাধারণ পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে।

 

ধারা-৭:                  সদস্য/সদস্যাদের ভর্তির নিয়মাবলী :

                        (ক)  কেবলমাত্র বাংলাদেশী এবং উৎসাহিত সামজকর্মী এই সংঘের সদস্য হতে পারবেন।

                        (খ)  সংঘের কর্তৃক নির্ধারিত আবেদনপত্রের মাধ্যমে ৫০/- (পঞ্চাশ) টাকা ভর্তি ফি সহ সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বরাবরে জমা দিতে হবে।

                        (গ)  সংঘের আদর্শ ও উদ্দেশ্যাবলীতে অনুগত হতে হবে।

                        (ঘ)  কমিটির সভায় গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী সদস্য পদের আবেদনপত্র মঞ্জুর/খারিজ হবে।

                   (ঙ)       মাসিক পাঁচ শত (৫০০) টাকা হিসাবে পরিশোধ করতে হবে।

                        (চ)  সাধারণ সম্পাদক জমাকৃত আবেদনপত্র অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন এবং অনুমোদনক্রমে সদস্য/সদস্যা খাতায় লিপিবদ্ধ করবেন।

                        (ছ) সোরিয়াসিস রোগে আক্রান্ত যেকোন বয়সের রোগী এবং ড্রার্মটোলজিস্ট ও ১৮ বৎসরের উর্ধ্বে যেকোন সাধারণ মানুষ এই সংঘের সদস্য হতে পারবেন     ।

 

 

ধারা-৮ :                সদস্য/সদস্যাদের অধিকার ও সুবিধা :

আজীবন সদস্য/সদস্যা ব্যতীত সকল সদস্য/সদস্যার ভোটাধিকার ও নির্বাচনে অংশ গ্রহণের ক্ষমতা সংরক্ষিত থাকবে। আজীবন সদস্য/সদস্যাগণ সংঘের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থে পরামর্শদান বা নির্বাচন কমিশনের সদস্য/সদস্যা হিসাবে কাজ করতে পারবেন

 

ধারা-৯ :                সদস্য পদ বাতিল :

যে কোন সদস্য/সদস্যার সদস্যপদ নিম্ন লিখিত কারণে বাতিল হবে :

১।   যদি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

২।   যদি মানসিক ভারসাম্য হারান।

৩।   যদি পরপর তিন সভায় অনুপস্থিত থাকেন বা সংঘের কাজে নিষ্ক্রিয় ও অকর্মন্য হয়ে পড়েন।

৪।   যদি সংঘের স্বার্থের পরিপন্থী কোন কাজ করেন বা তাঁর স্বভাব, আচরণ সংঘের পরিপন্থী হয় অথবা তহবিল তসরুপ করেন।

৫।   যদি পরপর তিন মাস মাসিক চাঁদা প্রদান না করেন।

৬।   মৃত্যু হলে অথবা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে অথবা আর্থিক অসংগতি দেখা দিলে অথবা আদালত কর্তৃক সাজা প্রাপ্ত হলে।

৭।   কোন সদস্য/সদস্যা অত্র সংঘ-এ চাকুরী গ্রহণ করলে, যে কোন আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে এবং কোন সদস্য অত্র সংঘ হতে সম্মানী ভাতা, মুনাফা গ্রহণ করলেও সেক্ষেত্রে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

 

ধারা-১০ :               পূনঃ ভর্তি :

যে কোন সদস্য/সদস্যা সদস্য পদ হারালে তাঁর ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলে এমন সদস্য বা সদস্যাকে ভর্তির জন্য নুতনভাবে আবেদন করতে হবে। তাঁর সদস্যপদ পুনরায় প্রদানের জন্য ধারা ৮ কার্যকর হবে।

 

ধারা-১১ :               সাংগঠনিক কাঠামো :

                        সংঘের ব্যবস্থাপনার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো হবে তিনটি- যথা :

(ক)  সাধারণ পরিষদ

(খ)  কার্যকরী পরিষদ

(গ)  উপদেষ্টা পরিষদ

 

(ক)  সাধারণ পরিষদ :

সকল সদস্য/সদস্যা নিয়ে গঠিত হবে সাধারণ পরিষদ। তবে সাধারণ পরিষদের সদস্য/সদস্যা সংখ্যার কোন উর্দ্ধসীমা থাকবে না।

 

                        (খ)  কার্যকরী পরিষদ :

সাধারণ পরিষদ দুই বছরের জন্য একটি ১৩ (তের) সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ নিয়োগ বা নির্বাচন করবেন। কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্য ১৩ (তের) জন অবশ্যই নিম্ন লিখিত নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত হবে।

 

                        ১.   সভাপতি          :    ১ (এক) জন।

                        ২.    সহ-সভাপতি       :    ১ (এক) জন।

                        ৩.   সাধারণ সম্পাদক         :    ১ (এক) জন।                             ৪.    কোষাধ্যক্ষ         :    ১ (এক) জন।

                        ৫    সাংগঠনিক সম্পাদক       :    ১ (এক) জন।

                        ৬ .  যুগ্ম সম্পাদক       :    ১ (এক) জন।

                        ৭ .   বৈজ্ঞানিক  সম্পাদক       :    ১ (এক) জন।

                        ৮.   সাংস্কৃতিক সম্পাদক        :    ১ (এক) জন।    

                        ৯.   দপ্তর সম্পাদক      :    ১ (এক) জন।

                        ১০.   প্রচার সম্পাদক      :    ১ (এক) জন।

                        ১১ .  কার্যকরী সদস্য      :    ৩ (তিন ) জন।       

           

                        মোট কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যা-     ১৩ (তের )  জন।

 

 

ধারা-১২ :               সংঘের শাখা :

                        নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে সংঘের অফিস খোলা হবে।

 

                       

                        (ক)  শাখা পরিষদ গঠন ও কাঠামো :

                                    সংঘের সংবিধান অনুযায়ী যে এলাকায় শাখা খোলা হবে সে এলাকা হতে সদস্য নিয়ে শাখা পরিষদ গঠন করতে পারবে। উক্ত শাখা পরিষদ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ এবং ২ জন সদস্য সমন্বয়ে ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট হবে। শাখা পরিষদ কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত, নিয়ন্ত্রিত। শাখা সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত এবং পরিচালিত হবে।

 

 

                        (খ)  শাখা সমূহের দায়িত্ব, কর্তৃব্য ও সুবিধা :

                                    সাধারণ পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক গৃহীত কার্যাদি শাখা পরিষদ বাস্তবায়ন করবে। শাখা পরিষদ তাদের সকল কাজের জন্য শাখা সাধারণ পরিষদ এবং কেন্ত্রীয় পরিষদের নিকট জবাবদিহি করতে হবে। কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক অনুমোদন ছাড়া শাখা পরিষদ অতিরিক্ত কোন কার্যাদি সম্পন্ন করতে পারবেন না। কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সুযোগ শাখা পরিষদ ভোগ করবেন।

 

 

                        (গ)  শাখা সমূহের কার্যক্রম স্থগিত :

                                    কেন্দ্রীয় পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে কোন সময় শাখার কার্যক্রম স্থগিত করা যাবে। এ ব্যাপারে শাখা পরিষদের কোন প্রকার দায়িত্ব থাকবে না। শাখা পরিষদ স্থগিত করণের বিষয়ের সব দায়-দায়িত্ব কেন্দ্রীয় পরিষদ বহন করবে। কেন্দ্রীয় পরিষদ কোন শাখার কার্যক্রম স্থগিত করলে উক্ত শাখা স্থগিতের কারণ উল্লেখ করে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে।

 

 

                        (ঘ)  কেন্দ্রীয় অফিস কর্তৃক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি :

                                    শাখা সমূহের জন্য কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত কার্যক্রম সমূহ কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক বরাদ্ধকৃত বাজেট অনুযায়ী সম্পন্ন করতে শাখা পরিষদ বাধ্য থাকবে।

 

                        (ঙ)  শাখা পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় সাধারণ পরিষদের সদস্য বলে বিবেচিত হইবেন।

 

ধারা-১৩ :              প্রশাসনিক ব্যবস্থায় কার্যকরী পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব :

                        ১।   সংঘের প্রয়োজনিয় খরচের অনুমোদন করা।

                        ২।   বিশেষ কার্য সম্পাদনে উপ-কমিটি গঠন করা।

                        ৩।   সভা করার দিন, তারিখ, সময়, স্থান এবং এজেন্ডা নির্ধারণ করা।

                        ৪।   সংঘের সকল হিসাব-নিকাশ, খরচের ভাউচার, ক্যাশ বই সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা।

                        ৫।   নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদনক্রমে কর্মচারী নিয়োগ করা।

                        ৬।   সংঘের প্রশাসনিক, আর্থিক ও পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রণ করা।

                        ৭।   সকল প্রশাসনিক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন এবং কর্মচারীদের দায়িত্ব নির্ধারণ করা।

                        ৮।   ধারা-১০ অনুযায়ী কোন সদস্য/সদস্যার সদস্যপদ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করা।

 

 

ধারা-১৪ :               কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য :-

                        ক)   সভাপতি :-

                        ১।   সকল সভা পরিচালনায় সভাপতিত্ব করবেন। তিনি সংঘের সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

                        ২।   সভা পরিচালনার কাজে তার পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে এবং তিনি কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য/সদস্যাদের মতামতের ভিত্তিতে সংঘের নিয়মাবলী র্নিধারণ করবেন।

                        ৩।   কার্য নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তিনি অন্যান্য বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন সাধারন সম্পাদক

                        ৪।   সকল প্রকার যোগাযোগ, চিঠিপত্র লেখা ও আদান প্রদানের কাজ তদারকি করবেন।

                        ৫।   ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ এ দুই জনের যৌথস্বাক্ষরে হিসাব পরিচালিত হবে ।

 

                        খ)   সহ-সভাপতি :

                        ১।   সভাপতি এর সকল কাজে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

                        ২।   সভাপতি এর অনুপস্থিতিতে আর্থিক বিষয়াদি ব্যাতিত স্বাভাবিক সকল দায়িত্ব পালন করবেন।

 

                        গ)   সাধারণ সম্পাদক :

 

                        ১।   তিনি সংঘের নির্বাহী পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংঘের কার্যক্রম কর্মসূচী প্রণয়ন ও প্রকল্প প্রস্তাবনা এবং বাস্তবায়নে কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন।

                        ২।   সকল প্রকার বিল, ভাউচার, লেনদেন কাগজপত্র পরীক্ষা করে নিজে অনুমোদনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সমীপে পেশ করবেন।

                        ৩।   সকল ধরনের সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ রাখার ব্যবস্থা করবেন।

                        ৪।   সকল ধরনের সভা আহবানের দিন, তারিখ, সময়, স্থান ও এজেন্ডা উল্লেখ করে নোটিশ বিতরণের ব্যবস্থা করবেন।

                        ৫।   সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক মাসিক, ত্রৈমাসিক, বার্ষিক জমা-খরচের হিসাব প্রস্তুত করিয়ে নিবেন এবং যথাযথ সভায় অনুমোদন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ব্যবস্থা নিবেন।

                        ৬।   ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ এ দুই জনের যৌথস্বাক্ষরে হিসাব পরিচালিত হবে।  

                        ৭।   কার্য নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক ন্যস্ত যে কোন কর্তব্য পালনসহ সাংগঠনিক কর্তব্য পালন করবেন।

                        ৮।   সংঘের সার্বিক উন্নয়নে সর্বদা সকল কার্যকরী সদস্যদের সাথে যোগাযোগ, আলাপ-আলোচনা এবং পরামর্শ বজায় রাখবেন।

                        ৯।   প্রশাসন, প্রকল্প তৈরী, বাজেট তৈরী, কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে সহায়তা করবেন।

 

                       

                        ঙ)   কোষাধ্যক্ষ : 

                        ১।   সংঘের সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করবেন।

                        ২।   সকল প্রকার, সদস্য চাঁদা ও বিশেষ চাঁদা, অনুদান, সরকারী ও বেসরকারী সংঘের সাহায্য সংঘের ছাপানো রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করবেন এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট হিসাব বুঝিয়ে সংঘের এ্যাকাউন্টে জমা রাখবেন।

                        ৩।   জরুরী খরচের জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জ্ঞাতানুসারে ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা পর্যন্ত হাতে রাখতে পারবেন। সাধারণ পরিষদের সভায় অর্থ বিষয়ক রিপোর্ট পেশ করবেন।

                        ৪।   সাধারণ পরিষদের সভায় অর্থ বিষয়ক রিপোর্ট পেশ করবেন।

                        ৫।   ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ এ দুই জনের যৌথস্বাক্ষরে হিসাব পরিচালিত হবে।

                        ৬।   তিনি তার কাজের জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তথা কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন।

 

                        চ)   সাংগঠনিক সম্পাদক :

                                    তিনি সংঘের সকল সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংঘের সকল সাংগঠনিক কর্মকান্ডে সমন্বয় সাধন করবেন।

                        জ)   সাংস্কৃতিক সম্পাদক :

                                    সাংস্কৃতিক সম্পাদক সংঘের সাংস্কৃতিক সম্পর্কিত কাজ তদারকি ও পরিচালনা করবেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সামগ্রী সংরক্ষণ করবেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করবে। প্রয়োজনে তিনি সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শ অনুযায়ী সংঘের কাজ পরিচালনা করবেন।

 

                        ঝ)   দপ্তর সম্পাদক :

                                    দপ্তর সম্পাদক সংঘের দাপ্তরিক সম্পর্কিত কাজ তদারকি ও পরিচালনা করবেন এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক সামগ্রী সংরক্ষণ করবেন। প্রয়োজনে তিনি সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শ অনুযায়ী সংঘের কাজ পরিচালনা করবেন।

 

                        ট)   প্রচার সম্পাদক :

                                    প্রচার সম্পাদক সংঘের প্রচার সম্পর্কিত কাজ তদারকি ও পরিচালনা করবেন এবং বিভিন্ন প্রচার সামগ্রী সংরক্ষণ করবেন। প্রয়োজনে তিনি সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শ অনুযায়ী সংঘের কাজ পরিচালনা করবেন।

 

                        ড)   কার্যকরী সদস্য :

                                    কার্যকরী সদস্যবৃন্দ সংঘের সকল নির্বাহী সভায় উপস্থিত থাকিবেন এবং সংঘের কার্যক্রম গতিশীল ও বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করিবেন।

 

 

ধারা-১৫ :               নির্বাচন পদ্ধতি :

সংগঠনের কার্য নির্বাহী কমিটি গঠনের পূর্বে নিবন্ধীকরন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। এবং রঙ্গিন ছবি দিয়ে ভোটার তালিকা প্রনয়ন করতে হবে ।

সাধারন পরিষদ কর্তৃক গোপন ভোটের মাধ্যমে অথবা সর্বসম্মতিক্রমে দ্বি-বার্ষিক সাধারন সভা বা নির্বাচনী সভার মাধ্যমে কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হবে।

একজন সদস্য একটি পদে একটি মাত্র ভোট প্রদান করবেন। কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট প্রদান করা যাবে না।

ক)   কার্য নির্বাহী পরিষদের মেয়াদঃ

কার্য নির্বাহী কমিটির নির্বাচনের নির্বাচনের তারিখ থেকে পরবর্তী ২(দুই) বছর পর্যন্ত কমিটির মেয়াদ বহাল থাকবে। কমিটির এ মেয়াদকালের মধ্যেই পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহন করতে হবে।

           

খ)   সর্বশেষ অনুমোদিত কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধিকরন :

অনিবার্য কারন বশতঃ নির্বাচিত ও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত মেয়াদে সংঘের নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হলে নির্বাচিত কমিটি সাধারন পরিষদের মোট সদস্যের সমর্থনে ও অনুমোদনে শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ ৩(তিন) মাস বৃদ্ধি করে বর্ধিতকালীন সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবেন। তবে এ সময় বৃদ্ধি ১(এক) বারের বেশী নহে।   

 

গ)   অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি :

নির্বাচিত কমিটির নির্ধারিত মেয়াদ ও বর্ধিত মেয়াদ উত্তীর্ন হওয়ার পর কার্যনির্বাহী কমিটির বৈধতা না থাকায় কমিটির মেয়াদ উত্তীর্নকালীন সময় সংস্থার কমিটি গঠনের/নির্বাচনের জন্য সংস্থার পূর্ববর্তী/ সাবেক সভাপতি/প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি/প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কর্তৃক আহুত সাধারন সভায় ৩ থেকে ৫ সদস্য বিশিষ্ট অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি গঠন করে সংঘের নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করবেন।

(১)  সংঘের এ কমিটি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত চলমান কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

(২)  সংঘের সদস্যদের বকেয়া চাঁদা আদায় পূর্বক সকল গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরন করে সংস্থার সদস্যতালিকা নিয়মিত ও হালনাগাদ করবেন।

(৩)       সংঘের নিয়মিত চূড়ান্ত বৈধ সাধারন সদস্য তালিকা নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে হস্তান্তর করবেন।

(৪)       নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে সকল প্রকার সহযোগিতা করবেন।

(৫)  নির্বাচনের পর অন্তবর্তীকালীন কমিটি বিলুপ্তি ঘোষিত হবে।

 

                        ঘ)   কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকালীন নির্বাচন :

সংঘের সভাপতি/সাধারন সম্পাদক/কোষাধ্যক্ষ পদত্যাগ করলে অথবা কার্য নির্বাহী কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য পদত্যাগ করলে অথবা কমিটি বা কমিটির কোন সদস্য দুর্নীতি গ্রস্থ হলে/ গঠনতন্ত্র বহির্ভূত কার্যক্রমে লিপ্ত হলে সংঘের সাধারন পরিষদ প্রয়োজনে মোট সাধারন সদস্যের নুন্যতম ২/৩(দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের সমর্থনে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি মেয়াদকালীন সময় পুনগঠন অথবা ভেঙ্গে দিয়ে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষমতা সংরক্ষন করবেন।

                       

                        ঙ)   নির্বাচন কমিশনঃ

নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার ৪৫ (পঁয়তালিশ) দিন পূর্বে সাধারন পরিষদের অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্তক্রমে ০৩(তিন) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। এদের মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দুইজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার থাকবে।

(ক) সংঘের প্রয়োজনে সাধারন পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন করতে পারবেন।

(খ) নির্বাচনের পর নির্বাচনের ফল ঘোষনা করতে হবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনার পর নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত হবে।

(গ) কার্য নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন না এমন সদস্য অথবা সংগঠনের সদস্য নন এমন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নির্বাচন কমিশনের সদস্য হবেন।

(ঘ) নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের নুন্যতম ৩০(ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করবেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন।

(ঙ)  দুই প্রার্থী নির্বাচনে সমান সংখ্যক ভোট পেলে লটারীর মাধ্যমে ফলাফল চূড়ান্ত করা হবে।

(চ)  বর্তমান কার্য নির্বাহী পরিষদ নবনির্বাচিত কার্য নির্বাহী পরিষদের নিকট ৭(সাত) দিনের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।

(ছ)  নবনির্বাচিত কার্য নির্বাহী পরিষদ নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমোদনের জন্য ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহনের পর তা কার্যকর হবে।

 

 

ধারা-১৬ :              কর্মচারী নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ :

সংঘের বিভিন্ন কার্যাদি সুষ্ঠভাবে স¤পাদন করার জন্য কার্যকরী কমিটির সাথে আলোচনা ক্রমে সভাপতি, কর্মকর্তা/কর্মচারী নিযুক্ত করতে পারবে। কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও সুবিধাদি কমিটি নির্ধারণ করবে। কর্মচারী তার দৈনন্দিন কাজ কর্মের জন্য সাধারণ সম্পাদকের নিকট দায়ী থাকবে। তবে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ করা হবে। কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও কোন প্রকার ব্যাংক ড্রাফ্ট/ পে-অর্ডার ও জামানত গ্রহণ করা হবে না।

 

ধারা-১৭ :               সভার নিয়মাবলী :

                        ক)   সাধারণ সভা :

সাধারণ সভা প্রতি বছর নূন্যতম দুই বার অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে এবং মোট সদস্যদের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

 

                        খ)   কার্যকরী সভা :

কার্যকরী পরিষদের সভা বছরে কমপক্ষে ৪ (চার) টি করতে হবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে, ৭ (সাত) দিনের নোটিশে কার্যকরী পরিষদ সভা আহ্বান করিতে পারিবেন।

 

                        গ)   বিশেষ সাধারণ সভা :

যে কোন বিশেষ কারণে সাধারণ সভা ২১ (একুশ) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাবে। তবে এ সভায় বিশেষ এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। বিশেষ এজেন্ডার উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করে যথারীতি নোটিশ প্রদান করতে হবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

 

                        ঘ)   তলবী সভা :

                                    কমপক্ষে মোট সদস্যের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্য বিশেষ সাধারণ সভা কর্মসূচীর (এজেন্ডা) বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে স্বাক্ষর দান করতঃ তলবী সভার আবেদন সংঘের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কাছে জমা দিতে পারবেন।

 

                        ঙ)   জরুরী সভা :

                                    ১।   সাধারণ সভা ৩ (তিন) দিনের নোটিশে আহবান করা যাবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

                                    ২।   কার্য নির্বাহী পরিষদের সভা ২৪ ঘন্টার নোটিশে আহবান করা যাবে। মোট সদস্যের ২/৩ অংশে কোরাম পূর্ণ হবে।

 

                        চ)   মূলতবী সভা :

                                    ১।   সাধারণ সভার নির্ধারিত সময়ে সর্ব্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) মিনিট বিলম্বে সভা করা যাবে অন্যথায় স্থগিত করতে হবে।

                                    ২।   সাধারণ সভা কোরামের অভাবে স্থগিত করলে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পরবর্তী সভার নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং ঐ সাধারণ সভা কোরাম না হলে যতজন সদস্য/সদস্যা উপস্থিত থাকবেন তাঁদের নিয়েই সভা অনুষ্ঠিত ও তাঁদের মতামত/সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

                                    ৩।   কার্যকরী পরিষদের সভা দুইবার কোরামের অভাবে স্থগিত হলে তৃতীয়বার উপস্থিত সদস্য/সদস্যাদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।

 

ধারা-১৮ :              সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব :

                        ক)   সংঘের সকল ক্ষমতা সাধারণ পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকবে। সংঘের স্বার্থে সাধারণ পরিষদ যে কোন বৈধ সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

                        খ)   এই সংঘের নিবন্ধীকরণের ১৮ (আঠারো) মাসের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

                        গ)   সংঘের নিযুক্ত বা মনোনীত কর্মী পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্যকরী পরিষদের বা অন্যান্য সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন, কিন্তু তাদের কোন ভোটাধিকার থাকবে না।

 

 

                        ঘ)   সাধারণ সভার কার্যক্রম নিম্নরূপ :

                                    ১।   নাম স্বাক্ষরের মাধ্যমে উপস্থিতি নিরূপন করা।

                                    ২।   গত সাধারণ সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন করা।

                                    ৩।   সর্ব প্রকার রিপোর্ট পেশ এবং আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

                                    ৪।   উপবিধি সংশোধন (যদি থাকে)।

                                    ৫।   মূলতবী প্রস্তাব/বিবিধ।

                                    ৬।   যে কোন সভায় সভাপতি কিংবা সহ-সভাপতির অনুপস্থিত থাকলে বা সভাপতিত্ব করতে অস্বীকার করলে বা অপারাগ হলে উপস্থিত সদস্যদের একজনকে প্রস্তাব ও সমর্থনের মাধ্যমে সভাপতিত্ব ও দায়িত্ব অর্পণ করা যাবে।

                        ঙ)   শূণ্য পদ পূরণ :

                                    কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন পদ শূণ্য হলে সাধারণ সভায় ২/৩ অংশ সদস্যের উপস্থিেিত সদস্য হতে কো-অপাট করা যাবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর তা কার্যকরী হবে।

 

ধারা-১৯ :              তহবিল/অর্থ লেনদেন :

                        ক)   অর্থ বছর শেষে তহবিল অর্থ বা জমাকৃত তহবিলের অর্থ সমদস্যদের মাঝে বন্টন করা যাবে না, শুধুমাত্র সংঘের আদর্শ ও লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অর্জনের ক্ষেত্রে কল্যাণমুখী কাজে খরচ করা যাবে।

                        খ)   ব্যক্তি, দেশী ও বিদেশী সংঘের সমূহ বা কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান বা ফাউন্ডেশন এবং সরকার হতে তহবিল গ্রহণ করা যাবে।

                        গ)   এই তহবিলের অর্থ বিধি মোতাবেক কার্যকরী কমিটি ও সাধারণ পরিষদের অনুমোদনক্রমে বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট সংঘের সাথে চুক্তি মোতাবেক ব্যয় করা যাবে, তাছাড়া সংঘের স্বার্থে, উন্নয়নে এবং জন স্বার্থে যে কোন ধরণের কাজের জন্য ব্যয় বা দান করা যাবে।

 

ধারা-২০ :               আর্থিক ব্যবস্থাপনা :

                        ক)   সংঘের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এলাকাস্থ বাংলাদেশী যে কোন সিডিউল ব্যাংকে সংঘের নামে একটি সঞ্চয়ী/চলতি হিসাব খুলতে হবে।

                        খ)   উক্ত সঞ্চয়ী/চলতি হিসাবটি সংঘের সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ এই দুইজনের যৌথ স্বাক্ষরে খোলা হবে এবং সভাপতিও কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা যাবে।

                        গ)   সংঘের নামে সংগৃহীত অর্থ কোন অবস্থাতেই হাতে রাখা যাবে না। অর্থ প্রাপ্তির সাথে সাথে নগদ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

                        ঘ)   দৈনন্দিন খরচ মিটানোর জন্য সাধারণ সম্পাদক যথাযথ ভাউচার সংরক্ষণ করবেন।

                        ঙ)   সংঘের দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য সভাপতি সর্বোচ্চ ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা মাত্র ব্যয়ের অনুমোদন করতে পারবেন।

                        চ)   অর্থ খরচের পর খরচকৃত অর্থ কার্যবির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন নিতে হবে এবং বাৎসরিক সাধারণ সভায় সারা বৎসরের সকল খরচ অনুমোদন এবং পরবর্তী অর্থ বৎসরের বাজেট পেশ ও অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

ধারা-২১ :               অডিট :

সংঘের বার্ষিক হিসাব নিকাশ অডিট ফার্ম বা সমাজসেবা অফিসার কর্তৃক নিরীক্ষা করাতে হবে। প্রত্যেক বছরের নিরীক্ষা যথাসময়ে সম্পন্ন করে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।

 

ধারা-২২ :               গঠনতন্ত্রের সংশোধন পদ্ধতি :

                        গঠনতন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশোধিত অনুচ্ছেদের মোট সদস্য। সদস্যা ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যের অনুমোদন গ্রহণের পর তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করতে হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হবে সংশোধনী কার্যকরী বলে বিবেচিত হবে।

 

ধারা-২৩ :              তহবিল বৃদ্ধি :

                        সংঘের তহবিল বৃদ্ধিতে যে কোন প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ক্রমে পরিচালনা করা যাবে এবং গৃহীত প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান শেষে আয় ও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হবে।

 

ধারা-২৪ :               আইনগত বাধ্যবাধকতা :

                        অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন সংঘটি ১৯৬১ সালের ৪৬নং অধ্যাদেশের আওতায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অত্র সংঘের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরনী, বার্ষিক বাজেট সহ সংঘের বার্ষিক রিপোর্ট সকলের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করবে এবং নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষকে তা নিয়মিত সরবরাহ করবে। অন্যান্য কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে কার্যকরী হবে।

 

ধারা-২৫ :               সংস্থার বিলুপ্তি :

                        যদি কোন সুনির্দিষ্ট কারণে সংঘের মোট পাঁচ ভাগের তিন ভাগ সদস্য/সদস্যা সংঘের বিলুপ্তি চান তবে যথানিয়মে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সংঘ বিলুপ্তিকালে ঋণগ্রস্থ বা দেনা থাকলে কার্যকরী কমিটি ব্যক্তিগত ভাবে উক্ত ঋণ বা দেনার জন্য দায়ী থাকবেন।

(সমাপ্ত)